রমজান মাসে শরিয়তসম্মত কোনো ওজরের কারণে যেমন অসুস্থতা, সফর, ঋতুস্রাব, গর্ভাবস্থা বা দুগ্ধদানকালীন সমস্যায় রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে। তবে পরে সেই রোজাগুলো কাজা করা ফরজ।
কাজা রোজা
রমজানের রোজা ফরজ। শরীয়ত সমর্থিত ওজর (অপারগতা) ছাড়া ইচ্ছাকৃত রোজা ভঙ্গকারী মৌলিক ফরজ লংঘনকারী ও ইসলামের ভিত্তি বিনষ্টকারীরূপে গণ্য। কোনো ব্যক্তি কারণ ছাড়া রোজা ভাঙলে পরবর্তীতে কাফফারাসহ রোজার কাজার বিধান রয়েছে।
মজান মাসের রোজা প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের ওপর ফরজ। কেউ যদি শরয়িসম্মত কারণে (যেমন অসুস্থতা, সফর বা নারীদের মাসিক) রোজা না রাখতে পারেন, তাহলে তিনি পরবর্তী সময়ে সেই রোজার কাজা আদায় করবেন—এটা ইসলামি শরিয়তের বিধান।
শাওয়ালের ৬ রোজার ফজিলত সম্পর্কে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রমজান মাসে রোজা রাখল অতঃপর এ রোজার পর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখল সে যেন গোটা বছর রোজা রাখল।’ (সহিহ মুসলিম, ১১৬৪)